ঢাকা ১৫ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের দূরদর্শী বাজেট: বাস্তবায়ন যেভাবে সম্ভব জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো 'জুলকান বিটডাউন বিনিয়োগ ফেরাতে ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন ও 'ভয়হীন পরিবেশ' সৃষ্টির তাগিদ ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব কিশোর অপরাধের নতুন ঠিকানা সোশ্যাল মিডিয়া: রাশ টানবে কে বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম ‘টি স্পোর্টস বিশ্ববাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ: এআই প্রযুক্তির চাপ ও ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের আভাস এ কে আজাদের ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি

আদানির বিদ্যুৎ কিনতে বছরে ৪০০–৫০০ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত দিচ্ছে বাংলাদেশ: জাতীয় কমিটি

#

ডেস্ক রিপোর্ট

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬,  11:31 PM

news image

ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের মধ্যে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুতের দাম অন্যান্য সরবরাহকারীর তুলনায় প্রায় ৫৫ শতাংশ বেশি। অসম ও একতরফা চুক্তির কারণে বাংলাদেশকে প্রতিবছর অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ চুক্তি পর্যালোচনায় গঠিত জাতীয় কমিটি।

রোববার বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটির প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে ভারত থেকে মোট ২ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে, যার মধ্যে আদানি পাওয়ার সরবরাহ করে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। বাকি বিদ্যুৎ আসে সরকারি ও বেসরকারি অন্যান্য উৎস থেকে

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক মোশতাক হোসেন খান বলেন, আদানির সঙ্গে করা বিদ্যুৎ চুক্তিতে “সাংঘাতিক অনিয়ম ও দুর্নীতির” প্রমাণ পাওয়া গেছে। লন্ডনের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের তথ্য আন্তর্জাতিক মানের দুর্নীতি মামলায়ও বিরল। চুক্তির সঙ্গে জড়িত সাত থেকে আটজনের অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে, যার পরিমাণ কয়েক মিলিয়ন ডলার। এসব তথ্য ও প্রমাণ ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দেওয়া হয়েছে এবং সংস্থাটি তদন্ত শুরু করেছে।

তিনি জানান, আদানির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছিল প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৮ দশমিক ৬১ সেন্টে, কিন্তু চুক্তির শর্তের মারপ্যাঁচে ২০২৫ সালে পরিশোধ করতে হয়েছে ১৪ দশমিক ৮৭ সেন্ট। অন্য উৎস থেকে একই সময়ে কেনা বিদ্যুতের তুলনায় প্রতি ইউনিটে ৪–৫ সেন্ট বেশি দিতে হচ্ছে।

জাতীয় কমিটির প্রধান বিচারপতি (অব.) মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “চুক্তি বাতিল বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এখন বিদ্যুৎ বিভাগের। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সীমিত, তাই আমরা আশা করি পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।”

এ বিষয়ে আদানি পাওয়ার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এখনো পর্যালোচনা প্রতিবেদনের কপি পায়নি এবং বাংলাদেশের কোনো কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। তাই প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি