ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চার মাস পর মূল্যায়ন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান বগুড়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও শিল্পায়ন নিয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল নেশার ছোবলে হারিয়ে যাচ্ছে শিশুর মনোযোগ ও সৃজনশীলতা পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আবাসন খাত পুনরুজ্জীবন এখন সময়ের দাবি অবহেলা থেকে ক্ষমতায়ন: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের দূরদর্শী বাজেট: বাস্তবায়ন যেভাবে সম্ভব জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো 'জুলকান বিটডাউন

এনবিআরের দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ: কোটি টাকার সম্পদের খোঁজে আইটিআইআইইউ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ অক্টোবর, ২০২৫,  4:46 PM

news image

কর ফাঁকির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দুই কর পরিদর্শকের ব্যাংক হিসাব ও এফডিআর (মেয়াদি আমানত) হিসাব ফ্রিজ করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট (আইটিআইআইইউ)। অভিযুক্তরা হলেন- কর অঞ্চল ১২-তে কর্মরত মোহাম্মদ রুবেল দর্জি এবং কর অঞ্চল ৫-এ কর্মরত সাইদুর রহমান। ওই দুই কর্মকর্তা সম্প্রতি বদলি হয়েছেন।

আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট থেকে জানা গেছে, রুবেল দর্জির স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জির ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। তাঁদের নামে ব্যক্তিগত গাড়ি ও গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সাড়ে চার একর জমির মালিকানা রয়েছে। মোহাম্মদ রুবেল দর্জি কর অঞ্চল-১২ এর নাজির থাকাকালীন ওই কর অঞ্চলে ৪টি চাকরি নিয়োগে কাজ করেছেন। সেখান থেকেই তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এবং তিনি বনে গিয়েছেন কোটিপতি। হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, কর অঞ্চল-১২ এর একটি নিয়োগ পরীক্ষা সেগুনবাগিচা হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি স্কুলের শিক্ষকদের ম্যানেজ করে 'পক্সি' পরীক্ষা দিয়ে তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের চাকরি দেন। এরপরই গাজীপুরে ৪ কোটি টাকা মূল্যের জমি ক্রয় করেন। তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন দর্জিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রথমে নৌকা না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করান এবং সেখানে ৪-৫ কোটি টাকা ব্যয় করেন।

অন্যদিকে, সাইদুর রহমানের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীর ব্যাংক হিসাবও ফ্রিজ করা হয়েছে। আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “কর অঞ্চল ৫-এ সাইদুর রহমান নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন।” সাইদুর রহমানের কিছু সম্পদের তথ্য এসেছে, সেগুলো হলো- সেগুনবাগিচায় ৪টি ফ্ল্যাট, চন্দ্রিমা মডেল টাউন রোড নং ১১-তে ৩,০০০ স্কয়ার ফিটের রাজকীয় ফ্ল্যাট, পূ্র্বাচলে ৪টি প্লট এবং একটি সুইমিংপুলসহ প্রমোদ ফ্ল্যাট। আরও সম্পদের তথ্য রয়েছে। সরকারি কর্মচারী হয়ে এত কোটি টাকার সম্পদ গড়লেন কীভাবে, এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি