ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

জেএফ-১৭’র পথে বড় অগ্রগতি, বাংলাদেশকে সিমুলেটর দিল পাকিস্তান

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ মে, ২০২৬,  6:00 PM

news image

বাংলাদেশকে অত্যাধুনিক জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক ৩ যুদ্ধবিমানের পূর্ণাঙ্গ সিমুলেটর হস্তান্তর করেছে পাকিস্তান। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম হস্তান্তর নয়; বরং সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান ক্রয় চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ পূর্বপ্রস্তুতি এবং দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক কৌশলে নতুন ইঙ্গিত।

প্রতিরক্ষা বিষয়ক গণমাধ্যম ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া জানিয়েছে, এই সিমুলেটরের মাধ্যমে বাংলাদেশি পাইলট ও কারিগরি কর্মীদের আগাম প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য যুদ্ধবিমান ক্রয় ও পরিচালনা প্রক্রিয়া সহজ হবে।

২০২৬ সালের মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও পাকিস্তান বিমান বাহিনীর প্রথম আনুষ্ঠানিক “এয়ার স্টাফ টকস”-এর পর বিষয়টি সামনে আসে। পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির এয়ার ভাইস মার্শাল আওরঙ্গজেব আহমেদ। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন এয়ার কমান্ডার শাহ খালিদ, এয়ার কমান্ডার আব্দুল গফুর বাজদুর, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহমুদ আলী খান এবং উইং কমান্ডার হাসান তারিক আজিজ।

সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিনিধি দলে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে সফরটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল না; বরং এর সঙ্গে কৌশলগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও বাণিজ্যিক সামরিক স্বার্থ জড়িত ছিল।

বৈঠকে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা জেএফ-১৭ ব্লক ৩ যুদ্ধবিমানের বহুমুখী সক্ষমতা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভারত-পাকিস্তান সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাফাল যুদ্ধবিমানের তুলনায় জেএফ-১৭’র কার্যকারিতা সম্পর্কেও বাংলাদেশকে অবহিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, আধুনিক যুদ্ধবিমান পরিচালনায় শুধু বিমান কেনাই যথেষ্ট নয়; পাইলট, প্রকৌশলী ও সহায়ক অবকাঠামোর সমন্বিত প্রস্তুতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বিবেচনায় এই সিমুলেটর হস্তান্তরকে ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিমান ক্রয় আলোচনার বড় ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই সিমুলেটরের মাধ্যমে বাংলাদেশি পাইলটরা বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির অনুশীলন করতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ানরাও যুদ্ধবিমানের প্রযুক্তিগত কাঠামো সম্পর্কে আগাম বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। ফলে ভবিষ্যতে মূল যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে তা দ্রুত কার্যক্রমে আনা সহজ হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক ও সামরিক ভারসাম্যেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সম্পর্কিত
logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি