তারেক রহমান-এর সিলেট সফর ঘিরে এক ব্যতিক্রমী মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের ‘দুলাভাই, দুলাভাই’ স্লোগানে সুধী সমাবেশের মঞ্চে বক্তব্য শুরু করতেই কিছুটা বেগ পেতে হয় তাকে।
শনিবার (২ মে) সিলেট নগরীর এক সুধী সমাবেশে উপস্থিত হলে জনতার এই স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। একপর্যায়ে হাস্যরসের ছলে তিনি বলেন,
“দুলাভাই কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের শুনতে হবে। দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে—যাই নাকি?”
এরপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি বক্তব্য শুরু করেন।
সমাবেশে তিনি পরিবেশ ও উন্নয়ন ইস্যুতে গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, ভূগর্ভস্থ পানি অতিরিক্ত উত্তোলন ভবিষ্যতের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় খাল খননের ওপর জোর দেন তিনি।
এছাড়া বৃষ্টির কারণে হাওরাঞ্চলের ক্ষতির কথাও তুলে ধরেন। অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণে কৃষির ক্ষতির বিষয়েও সতর্ক করেন।
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, সিলেটের ২৫০ শয্যার হাসপাতাল দ্রুত চালু করে ১২০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
পরিবেশ সচেতনতা নিয়েও বক্তব্য দেন তিনি। প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে সচেতনতা বাড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান।
এর আগে সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ পৌঁছান তিনি। সফরের শুরুতে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন।
উল্লেখ্য, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নে অবস্থিত তার শ্বশুরবাড়ির কারণে এই অঞ্চলে তাকে অনেকেই স্নেহ করে ‘দুলাভাই’ বলে সম্বোধন করেন।