ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চার মাস পর মূল্যায়ন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান বগুড়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও শিল্পায়ন নিয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল নেশার ছোবলে হারিয়ে যাচ্ছে শিশুর মনোযোগ ও সৃজনশীলতা পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আবাসন খাত পুনরুজ্জীবন এখন সময়ের দাবি অবহেলা থেকে ক্ষমতায়ন: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের দূরদর্শী বাজেট: বাস্তবায়ন যেভাবে সম্ভব জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো 'জুলকান বিটডাউন

দেশজুড়ে ৬ লাখ একরের বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি বেহাল অবস্থায়: ধর্মমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মে, ২০২৬,  5:05 PM

news image

দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৬ লাখ ১৪ হাজার একর ওয়াকফ সম্পত্তি অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বেহাল অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ। তিনি বলেন, অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে নামমাত্র ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এবং বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, ওয়াকফে আওলাদে রয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৯৯ একর এবং ওয়াকফে লিল্লাতে রয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ১২০ একর জমি। সব মিলিয়ে ওয়াকফ সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ১৪ হাজার একর।

তিনি বলেন, “এত বিশাল সম্পদের অধিকাংশই এখন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রশাসনিক দুর্বলতা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

শাহ মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, অতীতের দীর্ঘ সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে ওয়াকফ সম্পত্তির অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী চান, দানকারীরা যে উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে গেছেন, তা যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং সেখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম না থাকে।

ওয়াকফে আওলাদ ও ওয়াকফে লিল্লার পার্থক্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ওয়াকফে আওলাদে সম্পত্তির আয় বংশধররা পায়, তবে সম্পত্তি বিক্রি করা যায় না। আর ওয়াকফে লিল্লার আয় জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গাউছিয়া মার্কেট একটি ওয়াকফ সম্পত্তি, যেখানে ৫৮৮টি দোকান রয়েছে। অথচ অনেক দোকানের মাসিক ভাড়া মাত্র ১১২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৮ টাকা পর্যন্ত, যা বাজারদরের তুলনায় খুবই কম।

এছাড়া চকবাজার এলাকার একটি মসজিদের দোকানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আগে দোকানটি ৩৫ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হলেও কমিটি পরিবর্তনের পর সেটি ২ লাখ ৫২ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ওয়াকফ প্রশাসক ইতোমধ্যে ভাড়া পুনর্নির্ধারণে কাজ শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লুটপাট বন্ধ এবং বাজারদর অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে প্রয়োজনে নতুন আইন করা হবে এবং বেদখল হওয়া ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি