ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

দেশজুড়ে ৬ লাখ একরের বেশি ওয়াকফ সম্পত্তি বেহাল অবস্থায়: ধর্মমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মে, ২০২৬,  5:05 PM

news image

দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৬ লাখ ১৪ হাজার একর ওয়াকফ সম্পত্তি অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে বেহাল অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়েকোবাদ। তিনি বলেন, অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে নামমাত্র ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এবং বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, ওয়াকফে আওলাদে রয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৯৯ একর এবং ওয়াকফে লিল্লাতে রয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ১২০ একর জমি। সব মিলিয়ে ওয়াকফ সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ১৪ হাজার একর।

তিনি বলেন, “এত বিশাল সম্পদের অধিকাংশই এখন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রশাসনিক দুর্বলতা, দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

শাহ মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, অতীতের দীর্ঘ সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে ওয়াকফ সম্পত্তির অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী চান, দানকারীরা যে উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে গেছেন, তা যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং সেখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম না থাকে।

ওয়াকফে আওলাদ ও ওয়াকফে লিল্লার পার্থক্য ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ওয়াকফে আওলাদে সম্পত্তির আয় বংশধররা পায়, তবে সম্পত্তি বিক্রি করা যায় না। আর ওয়াকফে লিল্লার আয় জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।

তিনি আরও বলেন, গাউছিয়া মার্কেট একটি ওয়াকফ সম্পত্তি, যেখানে ৫৮৮টি দোকান রয়েছে। অথচ অনেক দোকানের মাসিক ভাড়া মাত্র ১১২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৮ টাকা পর্যন্ত, যা বাজারদরের তুলনায় খুবই কম।

এছাড়া চকবাজার এলাকার একটি মসজিদের দোকানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আগে দোকানটি ৩৫ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হলেও কমিটি পরিবর্তনের পর সেটি ২ লাখ ৫২ হাজার টাকায় ভাড়া দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ওয়াকফ প্রশাসক ইতোমধ্যে ভাড়া পুনর্নির্ধারণে কাজ শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী লুটপাট বন্ধ এবং বাজারদর অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে প্রয়োজনে নতুন আইন করা হবে এবং বেদখল হওয়া ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি