প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর দেশে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা আর বহাল নেই। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব অন্যান্য বাহিনীর ওপরই ন্যস্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী মূলত ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করছে। তারা সরাসরি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে না, বরং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
তিনি জানান, একসময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর মাঠে উপস্থিতি জনগণের মধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করেছে এবং অপরাধ দমনে প্রতিরোধমূলক ভূমিকা রেখেছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, নির্বাচনের আগে সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতারসহ কিছু আইনগত ক্ষমতা ছিল। তবে নির্বাচনের পর সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন তারা এসব কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিচ্ছে না।
তিনি বলেন, বর্তমান অবস্থায় সেনাবাহিনী অনেকটা নির্বাচনি সময়ের স্ট্রাইকিং ফোর্সের মতো প্রস্তুত রয়েছে—প্রয়োজনে সহায়তা দিতে পারবে, কিন্তু সরাসরি আইন প্রয়োগকারী ভূমিকায় নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তাদের এই উপস্থিতিও ধীরে ধীরে প্রত্যাহার করা হবে বলে জানান তিনি।