ঢাকা ০৫ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কাশ্মির, বেলুচিস্তান ও পাকিস্তানের গণতন্ত্রের সংকট শ্রীপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের ২০২৬-২০২৮ কার্যনির্ব্হী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি সোলায়মান, সম্পাদক কাশেম রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান হোক সাংবিধানিক কাঠামোতে গোবিন্দগঞ্জে ২০ অসচ্ছল নারীর হাতে বসুন্ধরা গ্রুপের সেলাই মেশিন দুর্নীতির পুরোনো জালে আটকে গেল জুলাইয়ের স্বপ্ন সাইবার সন্ত্রাস রোধে সরকারের সাহসী উদ্যোগ অন্ধকার ভেদ করে আলো ফিরিয়ে দিল বসুন্ধরা আই হসপিটাল তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত, শিগগিরই সফরের আশা আস্থার বীজ বুনতে পারলেই বদলাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আস্থার বীজ বুনতে পারলেই বদলাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

পদত্যাগের চাপেও অনড় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ মে, ২০২৬,  9:51 PM

news image

স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধরনের ভরাডুবির পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়লেও তিনি দায়িত্বে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার সরকার দীর্ঘমেয়াদি দশ বছরের পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে এবং তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন না।

রোববার (১০ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে। অন্যদিকে ডানপন্থি জনতাবাদী দল রিফর্ম ইউকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। এই ফলাফলের পর লেবার পার্টির ভেতরে স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এক সাক্ষাৎকারে স্টারমারকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত নেতৃত্বে থাকবেন এবং দ্বিতীয় মেয়াদও পূর্ণ করবেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই।”

তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে আমি সরে যাব না। আমি দেশকে আবার বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিতে চাই না।”

অন্যদিকে, তার সাবেক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তনের উদ্যোগ না এলে তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের সমর্থন নিয়ে নতুন নেতৃত্বের দাবি তুলবেন।

লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করতে সংসদীয় দলের অন্তত ২০ শতাংশ বা ৮১ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন সংসদ সদস্য প্রকাশ্যে স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

তবে বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্যই তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন বলেছেন, স্টারমার পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দাঁড়াতে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশাবাদী।

তিনি আরও বলেন, ভোটারদের বার্তা স্পষ্ট এবং সরকারকে তা গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

এদিকে লেবার পার্টির অভ্যন্তরে কেউ কেউ তড়িঘড়ি নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিরোধিতা করছেন। সাবেক নেতা জেরেমি করবিনের সময় অর্থবিষয়ক প্রধান ছিলেন জন ম্যাকডনেল এবং সংসদ সদস্য ইয়ান বাইর্নও সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তন দলের মধ্যে বিভক্তি আরও বাড়াতে পারে।

স্টারমারের মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। তিনি যদি দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করেন, তাহলে গত দুই শতকের মধ্যে দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী ব্রিটিশ নেতাদের তালিকায় তিনি তৃতীয় স্থানে থাকবেন। তার আগে থাকবেন মার্গারেট থ্যাচার এবং টনি ব্লেয়ার।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি