ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

পদত্যাগের চাপেও অনড় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ মে, ২০২৬,  9:51 PM

news image

স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধরনের ভরাডুবির পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়লেও তিনি দায়িত্বে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার সরকার দীর্ঘমেয়াদি দশ বছরের পরিকল্পনা নিয়েই এগোচ্ছে এবং তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন না।

রোববার (১০ মে) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে। অন্যদিকে ডানপন্থি জনতাবাদী দল রিফর্ম ইউকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। এই ফলাফলের পর লেবার পার্টির ভেতরে স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এক সাক্ষাৎকারে স্টারমারকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত নেতৃত্বে থাকবেন এবং দ্বিতীয় মেয়াদও পূর্ণ করবেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই।”

তিনি আরও বলেন, “২০২৪ সালের জুলাইয়ে আমাকে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে আমি সরে যাব না। আমি দেশকে আবার বিশৃঙ্খলার মধ্যে ঠেলে দিতে চাই না।”

অন্যদিকে, তার সাবেক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তনের উদ্যোগ না এলে তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের সমর্থন নিয়ে নতুন নেতৃত্বের দাবি তুলবেন।

লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করতে সংসদীয় দলের অন্তত ২০ শতাংশ বা ৮১ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন সংসদ সদস্য প্রকাশ্যে স্টারমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

তবে বর্তমান মন্ত্রিসভার বেশিরভাগ সদস্যই তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন বলেছেন, স্টারমার পরিস্থিতি ঘুরিয়ে দাঁড়াতে সক্ষম হবেন বলে তিনি আশাবাদী।

তিনি আরও বলেন, ভোটারদের বার্তা স্পষ্ট এবং সরকারকে তা গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।

এদিকে লেবার পার্টির অভ্যন্তরে কেউ কেউ তড়িঘড়ি নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিরোধিতা করছেন। সাবেক নেতা জেরেমি করবিনের সময় অর্থবিষয়ক প্রধান ছিলেন জন ম্যাকডনেল এবং সংসদ সদস্য ইয়ান বাইর্নও সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তন দলের মধ্যে বিভক্তি আরও বাড়াতে পারে।

স্টারমারের মেয়াদ ২০২৯ সাল পর্যন্ত চলতে পারে। তিনি যদি দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করেন, তাহলে গত দুই শতকের মধ্যে দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী ব্রিটিশ নেতাদের তালিকায় তিনি তৃতীয় স্থানে থাকবেন। তার আগে থাকবেন মার্গারেট থ্যাচার এবং টনি ব্লেয়ার।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি