ঢাকা ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ: বাসাইল সেতু কাণ্ডে এলজিইডি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্থানীয় সরকারের ৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, লক্ষ্য ৩০০ মেগাওয়াট অসহায় মানুষের ভরসাস্থল গাজীপুরের ডিসি: মানবিক বাংলাদেশ গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা

প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে ক্লাসে পাঠানো হবে না: ববি হাজ্জাজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মে, ২০২৬,  4:59 PM

news image

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সিপিডির নাগরিক প্ল্যাটফর্ম।

শিক্ষকদের দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ ছাড়া শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক মিছিল করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে সরকার এ অবস্থান থেকে সরে আসবে না বলে স্পষ্ট করেন।

তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর আগামী ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা আবার শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারবেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, গত কয়েক বছরে শিক্ষা খাত ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং সরকার এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার কাজ করছে।

তিনি আরও জানান, বেসরকারি স্কুলগুলোর তদারকির জন্য একটি নিয়ন্ত্রক পর্ষদ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৪ মে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনের জরুরি সংস্কার প্রয়োজন। কিছু ভবন এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ যে সেগুলো নতুন করে নির্মাণ করা ছাড়া বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বলতে শুধু ভবন নয়, শিক্ষাদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গেও এর সমন্বয় প্রয়োজন। জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে তিনি জানান, সরকার সমমানের শিক্ষাক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে এবং আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে সেটি প্রকাশ করা হবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এ শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি