ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

বাজারে মাছ–মুরগি ও ডিমের দাম কমেনি, লোডশেডিংয়ে বেচাকেনায় প্রভাব

#

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  12:07 PM

news image

বাজারে প্রতি কেজি ফার্মের মুরগি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ফার্মের মুরগির ডিমের দাম দেড় শ টাকা। দুই-তিন সপ্তাহ ধরে এ দামেই ডিম ও মুরগি বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছের দামও বাড়তি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুর ১–এর টোলারবাগ বাজার, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট ও টাউন হল বাজার ঘুরে এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, মাসখানেক আগে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৭০-১৮০ টাকা এবং ডিমের দাম ১৩০-১৪০ টাকা ছিল। আগস্টের শুরুতে পণ্য দুটির দাম বেড়ে বর্তমান পর্যায়ে আসে। এরপর আর দাম কমেনি।অবশ্য সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা কমে গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা এবং হাইব্রিড সোনালি বা কালারবার্ড মুরগি ২৯০-৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই, কাতলা, পাবদা, তেলাপিয়া, পাঙাশ প্রভৃতি মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে।

বাজারে চিনির দামও বাড়তি। গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে এক মাসের বেশি সময় ধরে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কারখানায় চিনির উৎপাদন কমেছে। এতে বাজারে পণ্যটির সরবরাহ কমেছে এবং দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক দোকানে এ চিনি ১২ টাকায়ও বিক্রি হতে দেখা যায়। অবশ্য বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ চিনির দাম বেড়েছে বলে দাবি উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর।মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে বর্তমানে প্রতিদিন দুই-তিনবার বিদ্যুৎ যায়। লোডশেডিংয়ের এ সময়ে একপ্রকার অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশে বেচাকেনা চলে। বিক্রেতারা জানান, বিদ্যুৎ গেলে গরম ও অন্ধকারের কারণে ক্রেতারা দোকানে কম আসেন। গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটেছবি: প্রথম আলো

গত বুধবার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। তাতে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা থেকে বেড়ে ২০৪ টাকা হয়েছে। বুধবার এ দাম বাড়ানো হয়। পরদিন অর্থাৎ গতকাল রাজধানীর তিনটি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, নতুন দামের বোতলজাত সয়াবিন তেল এখনো খুচরা দোকানে আসেনি। ফলে গতকাল আগের দামেই সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে।

সোমবার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। অনেকের আশঙ্কা ছিল, বেতন বৃদ্ধির ঘোষণার পরে বাজারে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম রাতারাতি বেড়ে যেতে পারে। তবে গতকাল বাজারে গিয়ে দুই-তিন দিনের মধ্যে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা দেখা যায়নি।

অবশ্য বাজারে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের বেশি দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মোহাম্মদপুরের টিক্কা পাড়ার বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, সরকার বেতন ও পেনশন বাড়ানোর যে ঘোষণা দিয়েছে, তা ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে। কিন্তু গত দুই–তিন বছরে জিনিসপত্রের দাম তো ইতিমধ্যে কয়েক গুণ বেড়ে আছে।অবশ্য সোনালি মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা কমে গতকাল প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা এবং হাইব্রিড সোনালি বা কালারবার্ড মুরগি ২৯০-৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছবাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই, কাতলা, পাবদা, তেলাপিয়া, পাঙাশ প্রভৃতি মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে।

বাজারে চিনির দামও বাড়তি। গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে এক মাসের বেশি সময় ধরে বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কারখানায় চিনির উৎপাদন কমেছে। এতে বাজারে পণ্যটির সরবরাহ কমেছে এবং দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক দোকানে এ চিনি ১২ টাকায়ও বিক্রি হতে দেখা যায়। অবশ্য বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ চিনির দাম বেড়েছে বলে দাবি উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর।লোডশেডিংয়ে বেচাকেনা কম’

গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে যান এই প্রতিবেদক। ওই সময় প্রায় এক ঘণ্টা বাজারটিতে বিদ্যুৎ ছিল না। ফলে মাছবাজার থেকে শুরু করে মুদি বিক্রেতা—সবাই একপ্রকার অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশে বেচাকেনা করছিলেন।

এ সময় কথা হয় মুদি বিক্রেতা খোকন জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী হুমায়ূন কবিরের সঙ্গে। তিনি বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে বেচাকেনা কমেছে। দিনে অন্তত তিনবার বিদ্যুৎ চলে যায়; প্রতিবারে এক ঘণ্টার বেশি সময় লোডশেডিং থাকে। বিদ্যুৎ না থাকলে বাজারে ক্রেতা ঢুকতে চায় না। কারণ, একে গরম থাকে, আবার আলোর স্বল্পতায় পণ্য ভালো করে দেখাও যায় না।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের মাছবিক্রেতা সাইফুল ইসলাম রুই, কাতলা বিক্রি করেন। তিনি জানান, রুই ও কাতলা মাছ জ্যান্ত রাখতে চৌবাচ্চার পানিতে বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। একটানা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রতিদিনই কিছু মাছ মারা যায়। এসব মাছ লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি