স্পোর্টস ডেস্ক
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, 11:55 PM
বিপিএল শুরুর আগেই ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন, নোয়াখালী বিতর্কে পুরোনো চিত্র
বিপিএল শুরু হওয়ার আগের দিন নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক আবারও দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ক্রীড়া সামগ্রীর অভাব ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে হেড কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনের দল ছাড়ার ঘোষণা বিপিএলের পুরোনো সমস্যাগুলোকেই সামনে এনে দিয়েছে।
সুজন পরে সিদ্ধান্ত বদলালেও, পুরো ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে—টুর্নামেন্ট শুরুর আগে দলগুলোর প্রস্তুতি ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি এখনো কাটেনি। বিশেষ করে একজন অভিজ্ঞ কোচ যদি অনুশীলনে এসে মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাবে ক্ষুব্ধ হন, সেটি আয়োজনের মান নিয়েই প্রশ্ন তোলে।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু ইমরান হাসানকে আগেই দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্য কোচিং স্টাফের কাছে না পৌঁছানোই মূলত ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দেয়। বিশ্লেষকদের মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজি ও টিম ম্যানেজমেন্টের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতিই এমন পরিস্থিতির কারণ।
তবে ইতিবাচক দিকও আছে। সুজন নিজেই জানিয়েছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২৫ শতাংশ পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছে এবং মালিকপক্ষ ক্রিকেটের প্রতি আন্তরিক। এটি বিপিএলের জন্য স্বস্তির বার্তা।
চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্ব বিসিবির হাতে নেওয়া এবং নোয়াখালী বিতর্ক—এই দুটি ঘটনাই দেখাচ্ছে, বিপিএল মাঠে নামার আগেই সংগঠনিক দৃঢ়তা কতটা জরুরি। না হলে মাঠের উত্তাপের চেয়েও বেশি আলোচনায় থাকবে মাঠের বাইরের বিশৃঙ্খলা।