ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চার মাস পর মূল্যায়ন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান বগুড়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও শিল্পায়ন নিয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল নেশার ছোবলে হারিয়ে যাচ্ছে শিশুর মনোযোগ ও সৃজনশীলতা পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাত করমুক্ত হলে ৩৬০০ শিল্প চাঙ্গা হবে, বাড়বে রাজস্ব অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আবাসন খাত পুনরুজ্জীবন এখন সময়ের দাবি অবহেলা থেকে ক্ষমতায়ন: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তারেক রহমানের দূরদর্শী বাজেট: বাস্তবায়ন যেভাবে সম্ভব জুলকান ইনডোর অ্যারেনা'য় সম্পন্ন হলো 'জুলকান বিটডাউন

বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে ১৪টি বোয়িং, সন্ধ্যায় ঐতিহাসিক চুক্তি সই

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ এপ্রিল, ২০২৬,  4:40 PM

news image

জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং-এর সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সই করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।

এই চুক্তির মাধ্যমে বিমান বহর সম্প্রসারণে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উদ্যোগ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যাত্রী ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এম হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করবেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনও এতে অংশ নেবেন।

প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, বিমান মোট ১৪টি উড়োজাহাজ কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট।

বিমান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাত্রী চাহিদা বাড়ায় বহর আধুনিকায়ন, দূরপাল্লার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক রুটে কার্যক্রম জোরদার করাই এই ক্রয়ের মূল উদ্দেশ্য।

ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দীর্ঘ রুটে সেবা উন্নত করবে। অন্যদিকে ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ব্যবহার করা হবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রাক্কালে এই চুক্তি সই হচ্ছে, যা বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে বোয়িং ও ইউরোপীয় প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিযোগিতারও একটি অধ্যায় শেষ হতে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি