ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ মে, ২০২৬,  5:12 PM

news image

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না সে বিষয়ে তদন্তে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।


বুধবার (২৭ মে) দুপুরে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল আদ-দ্বীন হাসপাতালে আসে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউনিটের এক সদস্য বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র স্যাররা এখানে ডেকেছেন। আমরা উন্নত প্রযুক্তির কিছু ডিভাইস নিয়ে এসেছি। যে কক্ষে নবজাতকরা মারা গেছে সেই কক্ষে এসব ডিভাইস দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবো। এখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, আর ছড়িয়ে থাকলে কোন গ্যাস এবং কী পরিমাণে ছড়িয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।’


এর আগে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ রুম থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।বুধবার সকালে হাসপাতালটিতে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটে। তারা সবাই পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছিল। কী কারণে এই ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনোকিছু নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন- বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি