ঢাকা ২৯ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট মিরপুরে প্রতিবন্ধী বেলু ও অসহায় শাহানার পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ তারেক রেজা গ্রেপ্তার নিয়ে হাসনাতের তীব্র প্রতিক্রিয়া, ‘ক্ষমতার অপব্যবহার স্থায়ী হয় না’ চীনের খনি দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদ ও গ্রীষ্ম উপলক্ষ্যে আকর্ষণীয় অফার ও সুযোগ সুবিধাসহ ৭ শতাধিক আউটলেটে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের সম্পূর্ণ সম্ভার নিয়ে প্রস্তুত ওয়ালটন প্লাজা পূর্ব-তিমুরে রপ্তানি হচ্ছে ওয়ালটন টিভি, যাচ্ছে ১২তম শিপমেন্ট বেগম জিয়া পরিবারকে গ্রেপ্তারে মতি-মাহফুজের চাপের অভিযোগ সৌদি গেলেন সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান মামলা না নেওয়ার অভিযোগে ঝিনাইদহ সদর থানার সামনে এনসিপি নেতার অবস্থান, উত্তেজনা ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে সব ধরনের চেষ্টা চলছে: সেতুমন্ত্রী

বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা, হাসপাতালে বোম ডিসপোজাল ইউনিট

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ মে, ২০২৬,  5:12 PM

news image

রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না সে বিষয়ে তদন্তে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।


বুধবার (২৭ মে) দুপুরে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিটের একটি দল আদ-দ্বীন হাসপাতালে আসে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইউনিটের এক সদস্য বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র স্যাররা এখানে ডেকেছেন। আমরা উন্নত প্রযুক্তির কিছু ডিভাইস নিয়ে এসেছি। যে কক্ষে নবজাতকরা মারা গেছে সেই কক্ষে এসব ডিভাইস দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবো। এখানে কোনো বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়েছে কি না, আর ছড়িয়ে থাকলে কোন গ্যাস এবং কী পরিমাণে ছড়িয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।’


এর আগে, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ রুম থেকে নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করেন।বুধবার সকালে হাসপাতালটিতে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটে। তারা সবাই পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছিল। কী কারণে এই ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্টভাবে কোনোকিছু নিশ্চিত করতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও শিশুদের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, নবজাতক ওয়ার্ডে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) যন্ত্রের গ্যাস লিকেজ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হাসপাতালের মহাপরিচালক (হসপিটালস অ্যান্ড নার্সিং) অধ্যাপক ডা. নাহিদা ইয়াসমিন বলেন, সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ করে বাচ্চার মায়েরা কর্তব্যরত নার্সদের বলছিলেন- বাচ্চাকে অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়জন বাচ্চাকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে সেখানে নেওয়ার সময় দুজন বাচ্চা মারা যায়। অন্য চারজন বাচ্চার অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেনটিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি