ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

হার্ট অ্যাটাকের পর তামিমের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরা নিয়ে দ্বিধা

#

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুলাই, ২০২৫,  9:15 PM

news image

১০ জানুয়ারি ২০২৫। রাত ১০টা ৩৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন পোস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন দেশের সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তবে অবসরের পরেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁকে দেখা গেছে; বিশেষ করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এবং ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটে।

কিন্তু গত ২৪ মার্চ পরিস্থিতি বদলে যায়। প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটে খেলার সময় মাঠেই দুই দফা হার্ট অ্যাটাক হয় তামিম ইকবালের। তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং হৃদযন্ত্রে রিং পরানো হয়। চিকিৎসার পর বর্তমানে তিনি শারীরিকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও ক্রিকেটে ফেরার বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এরই মাঝে তামিমকে ঘিরে আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে বিপিএল সামনে রেখে। ভক্তদের একাংশ চায় মাঠে তাঁকে দেখতে, অন্যদিকে সংশ্লিষ্টরা দিচ্ছেন সাবধানতার বার্তা।

জাতীয় দলের দীর্ঘদিনের ট্রেইনার ইয়াকুব চৌধুরী ডালিম মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ক্রিকেটে ফেরার বিষয়ে তামিম ইকবালকে নিয়ে বলব-মজার উদ্দেশ্যে কিংবা বিনোদনের জন্য তিনি খেলতে পারেন। তবে বিপিএল বা সেমিফাইনাল-ফাইনালের মতো উত্তেজনাকর ম্যাচে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো। অবশ্য সিদ্ধান্তটা তাকেই নিতে হবে। আমি বলব- অনুশীলন করুক, খেলুক। তবে সেটা হালকা বিনোদনের অংশ হিসেবে।

তামিম ইকবাল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে তিনি করেছেন দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ২৪৯ রান। তার চেয়ে বেশি (১৫ হাজার ৬২৩) করেছেন কেবল মুশফিকুর রহিম, যিনি ৮৩টি ম্যাচ বেশি খেলেছেন।

তামিমের ঝুলিতে রয়েছে ২৫টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি ও ৯৪টি ফিফটি। দীর্ঘদিন দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। মাঠে নানান স্মরণীয় ইনিংস উপহার দেওয়ার পাশাপাশি তার ব্যাটিংয়ে ছিল সাহসিকতার ছাপ।

তবে হৃদযন্ত্রে রিং পরানোর মতো শারীরিক অবস্থার পরও তিনি মাঠে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা চলছেই। চিকিৎসকদের মতামত, ট্রেইনারদের পরামর্শ এবং নিজের শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনা করেই হয়তো সিদ্ধান্ত নেবেন দেশের এই ক্রিকেট কিংবদন্তি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি