ঢাকা ০৫ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কাশ্মির, বেলুচিস্তান ও পাকিস্তানের গণতন্ত্রের সংকট শ্রীপুর উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের ২০২৬-২০২৮ কার্যনির্ব্হী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি সোলায়মান, সম্পাদক কাশেম রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান হোক সাংবিধানিক কাঠামোতে গোবিন্দগঞ্জে ২০ অসচ্ছল নারীর হাতে বসুন্ধরা গ্রুপের সেলাই মেশিন দুর্নীতির পুরোনো জালে আটকে গেল জুলাইয়ের স্বপ্ন সাইবার সন্ত্রাস রোধে সরকারের সাহসী উদ্যোগ অন্ধকার ভেদ করে আলো ফিরিয়ে দিল বসুন্ধরা আই হসপিটাল তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ভারত, শিগগিরই সফরের আশা আস্থার বীজ বুনতে পারলেই বদলাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আস্থার বীজ বুনতে পারলেই বদলাবে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ চালুর উদ্যোগ, এক বছরে অটোমেশনে যাবে প্রশাসন: অর্থমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ মে, ২০২৬,  8:58 PM

news image

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের পুরো অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ডিজিটাল অটোমেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একই সঙ্গে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান কার্ড’ চালুর মাধ্যমে নাগরিক সেবাগুলো এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও-এ আয়োজিত ‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আয়োজন করে প্রথম আলো।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা পরিচালনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও নাগরিক সেবায় দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে বড় ধরনের সংস্কার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে একটি ব্যবসা বা প্রকল্প বাস্তবায়নে অসংখ্য অনুমোদনের প্রয়োজন হতো, সেটি কমিয়ে ১৩টিতে নামিয়ে আনার উদ্যোগ চলছে।

তিনি জানান, বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে অতিরিক্ত চার্জ ও প্রশাসনিক হয়রানি কমাতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি প্রকল্প গ্রহণের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিদিন মনিটরিং এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নয়; বরং সাধারণ মানুষের জন্য একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন। এ লক্ষ্যে অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ ও প্রশাসনিক আধুনিকায়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মূলধারার বাইরে থাকা কামার, কুমার, তাঁতিসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে থিয়েটার, সংস্কৃতি, সংগীত, চিত্রকলা ও কৃত্রিম গহনা শিল্পকে কেন্দ্র করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে বিশেষ প্রকল্প ও তহবিল বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে ‘থিয়েটার ডিস্ট্রিক্ট’ গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র ও সংগীতকে বৈশ্বিক বাজারে তুলে ধরে দেশের সফট পাওয়ার বাড়ানো হবে।

ব্যাংক ঋণের বিকল্প হিসেবে পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেট শক্তিশালী করার কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশে ও বিদেশে ‘বাংলাদেশ বন্ড’ চালুর প্রক্রিয়া চলছে এবং বড় মূলধনী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া বাধ্যতামূলক করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

কর ব্যবস্থায় পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, কর ফাঁকি রোধে বড় কোম্পানির প্রকৃত বাজার হিস্যা যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ ‘ফ্ল্যাট রেট’ কর ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হোসেন জিল্লুর রহমান, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সেলিম জাহান, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)-এর প্রতিনিধি এবং ব্যবসা ও নীতিনির্ধারণী মহলের বিভিন্ন ব্যক্তি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি