ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত ইমাম, গ্রেপ্তার কিশোরীর ভাই

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মে, ২০২৬,  6:08 PM

news image

ফেনীর পরশুরাম উপজেলা-র বক্সমাহমুদ এলাকায় এক কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত ইমাম মোজাফফর আহমদ অবশেষে অব্যাহতি পেয়েছেন। ফরেনসিক ডিএনএ পরীক্ষায় কিশোরীর সন্তানটির সঙ্গে তার কোনো জৈবিক সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

তদন্তে পরে বেরিয়ে আসে, কিশোরীর আপন বড় ভাই মোরশেদের ডিএনএর সঙ্গে শিশুটির মিল রয়েছে। অর্থাৎ, তিনিই ঘটনার মূল অভিযুক্ত।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর কিশোরীর পরিবার মক্তব শিক্ষক ও ইমাম মোজাফফরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করে। অভিযোগের পর তিনি মসজিদের ইমামতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর চাকরি হারান।

পরে মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এক মাস দুই দিন কারাভোগ করতে হয়।

এরপর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকার ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ না মেলায় পুলিশ নতুন করে তদন্ত শুরু করে।

জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরী স্বীকার করে, তার বড় ভাই মোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে তাকে ধর্ষণ করতেন এবং পরিবার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে মোজাফফরকে ফাঁসায়।

পরবর্তীতে মোরশেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও তিনি অপরাধের কথা স্বীকার করেন।

পরবর্তী ডিএনএ পরীক্ষায় মোরশেদের সঙ্গে শিশুটির জৈবিক সম্পর্ক ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়ার পর তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

গত ১৭ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে মোজাফফর আহমদকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান এবং মোরশেদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ গঠন করেন। বর্তমানে মোরশেদ কারাগারে রয়েছেন।

অব্যাহতি পাওয়ার পর মোজাফফর আহমদ বলেন, মিথ্যা অভিযোগের কারণে তিনি সামাজিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি কারাভোগ ও মর্যাদাহানির ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

তার আইনজীবী আবদুল আলিম মাকসুদ বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সত্য প্রকাশ পেয়েছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে পরশুরাম মডেল থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম জানান, গভীর তদন্ত ও ডিএনএ রিপোর্টের ভিত্তিতেই নিরপরাধ ইমামের নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি