ঢাকা ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অস্ত্রোপচার ছাড়াই প্রাণঘাতী রক্তক্ষরণ থেকে রক্ষা প্রায় শত কোটি টাকার মালিক লিটন, দুদুকে মামলার প্রস্তুতি ব্যারিস্টার সাফায়েত মোহাম্মদ রাজু ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত সিইএস ২০২৬ প্রদর্শনীতে উন্মোচন হলো আসুসের আরওজি গেমিং ল্যাপটপ দেশজুড়ে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাত: সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্র ভিসা বন্ড দুঃখজনক, কিন্তু অস্বাভাবিক নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ফ্রি ফ্রিজ ও টিভি বসুন্ধরা পিএইচসি পাইলের সমঝোতা স্বাক্ষর গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

তিন লকার খুলে একটিতে শুধু পাটের ব্যাগ, দুইটিতে ৮৩১ ভরি স্বর্ণ পেল দুদক

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ নভেম্বর, ২০২৫,  12:05 AM

news image

ঢাকার মতিঝিলের দুটি ব্যাংকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে সংরক্ষিত তিনটি লকার খুলে পৃথক অবস্থা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পূবালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় শেখ হাসিনার নামে থাকা লকারে পাওয়া গেছে শুধুমাত্র একটি ছোট পাটের খালি ব্যাগ। কোনো স্বর্ণালঙ্কার, মুদ্রা বা মূল্যবান সম্পদ পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামে থাকা দুই লকারে পাওয়া গেছে মোট ৮৩১ দশমিক ৬৭ ভরি (৯৭০৭.১৬ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কার। গহনার মধ্যে রয়েছে চেইন, আংটি ও পরিবারের প্রয়াত সদস্যদের স্মৃতিবিজড়িত অলংকার, যেমন শেখ কামালের সোনার আংটি। শেখ হাসিনা নিজ হাতে লেখা তালিকা অনুযায়ী জয়, পুতুল ও জয়ের স্ত্রীর জন্য রাখা অলংকারও পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার দুদকের উপপরিচালক মাসুদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তিনটি লকার খোলা হয়। পরে ইনভেন্টরি তৈরি করে ব্যাংক দুটির সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যবস্থাপকদের জিম্মায় রাখা হয়।

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন জানান, শেখ হাসিনা ২০০৭ সালে যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন, সেই তথ্যের সঙ্গে মিলে দেখা হবে লকারের স্বর্ণালঙ্কার। অতিরিক্ত পাওয়া গেলে সেগুলো অবৈধ সম্পদ হিসেবে গণ্য হবে।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী ২৫ বছর আগের তথ্য অনুসারে লকারগুলো খোলার উদ্যোগ নেয় দুদক। গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদ যাচাই–অনুসন্ধান শুরু করে কমিশন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি