ঢাকা ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অস্ত্রোপচার ছাড়াই প্রাণঘাতী রক্তক্ষরণ থেকে রক্ষা প্রায় শত কোটি টাকার মালিক লিটন, দুদুকে মামলার প্রস্তুতি ব্যারিস্টার সাফায়েত মোহাম্মদ রাজু ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত সিইএস ২০২৬ প্রদর্শনীতে উন্মোচন হলো আসুসের আরওজি গেমিং ল্যাপটপ দেশজুড়ে ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক ১৩৬ কোটি টাকা আত্মসাত: সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্র ভিসা বন্ড দুঃখজনক, কিন্তু অস্বাভাবিক নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে ফ্রি ফ্রিজ ও টিভি বসুন্ধরা পিএইচসি পাইলের সমঝোতা স্বাক্ষর গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

প্রায় শত কোটি টাকার মালিক লিটন, দুদুকে মামলার প্রস্তুতি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬,  1:02 PM

news image

সরকারি চাকরি এ যেন এক সোনার হরিণ, ছোট হোক, বড় হোক কোন প্রকারে একটি চাকুরী জোগাতে পারলেই যেন বনে যাওয়া যায় কোটি কোটি টাকার মালিক, তারি একটি বাস্তব উদাহরণ হল মোঃ লিটন মিয়া শ্রীবরদী থানার, ভারালা গ্রামের অতি সাধারণ পরিবারের তার জন্ম। তার পিতার নাম আব্দুল খালেক,। কর অঞ্চল ৬ এ নোটিশ সার্ভার পদে চাকুরী পাওয়ার পর তার আর পিছনের দিকে তাকাতে হয়নি, বনে যান কোটি কোটি টাকার মালিক, বাবা ছিলেন একজন মাছ ব্যবসায়ী গ্রামের হাটবাজারে মাছ বিক্রি করা ছিল তার নিত্যদিনের পেশা, এখন তিনি ছেলের বদৌলতে থাকেন আলিশান বাড়িতে গ্রামের বাড়িতে পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন করে করেছেন এক রাজকীয় বাড়ি, (গ্রামের বাড়ির ছবি) এলাকায় কিনেছেন বিগায় বিঘায় সম্পত্তি শ্রীবরদি শহরে রয়েছে চারটি বাড়ি(বাড়ির ছবি) , ভায়া ডাঙ্গা তেতুলিয়ায় ২২ একর জায়গার উপর লোকমান এন্ড লিয়া এগ্রো ফিসারিস নামে রয়েছে বিশাল এক মাছের প্রজেক্ট।(প্রজেক্টর ছবি) এ প্রজেক্টে যাওয়ার জন্য প্রায় এক কিলো রাস্তা নিজস্ব অর্থায়নে দুই পাশে আরসিসি পিলার করে রাস্তাটি নির্মাণ করেন।(রাস্তার ছবি) এই প্রজেক্ট এর পাশে প্রায় আরো ১০০ বিঘার মত জায়গা বাইনা রেস্ট্রি করেন। শ্রীবরদি কন্টিপারা মেইন রোডের সাথে লুহমান এগ্রো অটো রাইস মিল নামে২.৫ একর জায়গা ক্রয় করে বাউন্ডারি করে রাখেন,যার বর্তমান বাজার মূল্য ২০ কোটি টাকা।(জায়গায় ছবি) সাধারণত একটি অটো রাইস মিল চালু করতেই প্রায় ১০০ কোটি টাকার মত প্রয়োজন হয়।

আমাদের অনুসন্ধানি টিম এই দুর্নীতিবাজ লিটনের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে তার সম্পদের বিবরণ দেখে আতকে ওঠেন,২০১০ সালে মাত্র ১৫০০০ টাকার বেসিক বেতনে নোটিশ সার্ভার পদে চাকরি করা লিটন কিভাবে শত কোটি টাকার মালিক বনে যান তা নিয়ে রয়েছে জনমনে প্রশ্ন। তার নিজগ্রামের নাম প্রকাশ না করার শর্তে অনেকেই বলেন আজ থেকে ১০ বছর আগেও তার বাবার পাঁচ শতাংশ জায়গার উপরে ছিল একটি ছোট্ট টিনের ঘর এ অবস্থায় কিভাবে আলাদিনের চেরাগ পেয়ে গেলেন তা তাদের জানা নেই, (এলাকার লোকজনের বক্তব্য)। তিনি নামে বেনামে করেছেন অডেল সম্পত্তি।কলাতলা তার শ্বশুর বাড়িতে করেছেন কয়েক একর সম্পত্তি অথচ কয়েক বৎসর আগেও তার শশুর ভ্যানে করে বাজারে বাজারে কাঁচামাল বিক্রি করতেন, স্ত্রীর একাউন্টে রয়েছে কোটি কোটি টাকার লেনদেন একজন সাধারণ গৃহিণী হয়ে এত অর্থের মালিক কিভাবে হলেন তা আমাদের জানা নেই,বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় রয়েছে তার ৪টি ফ্লাট, উত্তরা মডেল টাউনে রয়েছ প্লট।ধানমন্ডি রয়েছে ফ্লাট মোহাম্মদপুর বসিলাতে রয়েছে তার একটি বাড়ি। রামপুরা বনশ্রীতে রয়েছে তার একটি ফ্ল্যাট যেখানে তিনি স্ত্রী সন্তানদেরকে নিয়ে বসবাস করেন । যাতায়াতের জন্য রয়েছে তার বিলাসবহুল একটি গাড়ি ঢাকা মেট্রো চ (১৯-৯১৪৮) (লিটন এর স্ত্রী অল্প শিক্ষিত এক জন গৃহিণী, এর নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। রয়েছে এফ ডি আর।লিটনের ছোট বোন নিলুফার নামে করেছেন কুটি টাকার সম্পত্তি।আরো নামে বেনামে রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। আপনি এত টাকার মালিক কিভাবে হলেন জিজ্ঞেস করা হলে আমাদের প্রতিনিধিকে তিনি বলেন আমি বিভিন্ন ফাইলের কাজ করি তাই, শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের অনেক দাপটে নেতাদের ফাইল সম্ননয় করতাম, তাই তারা আমাকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে থাকতেন ।

ফেসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে নিজেকে মতিয়া চৌধুরীর বাগিনা পরিচয় দিয়ে দাপিয়ে বেড়াতেন ।এলাকার লোকজনের অভিযোগ অনেকের কাছ থেকেই চাকুরিও বিভিন্ন ব্যবসার প্রলোভন দিয়ে টাকা নিয়েছেন, দু-একটি থানায় অভিযোগও রয়েছে, যার ভিত্তিতে পুলিশ তার বাড়িতে একাধিকবার জান, নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে তার অফিসের এক কর্মচারী বলেন তিনি তো নিয়মিত অফিস করতেন না,গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে এমনভাবে অফিসে চলাফেরা করতেন যেন তার ভয়ে উদ্যোতন কর্মকর্তারাও তটস্থ থাকতেন,তারএহেন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বললে এক পর্যায়ে তিনি অনুনয় বিনুনয় করে আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন যদি আপনার এক ছোট ভাই কিছু করে ভালো থাকতে পারে তাহলে আপনার সমস্যা কোথায় ।(লিটনের বক্তব্য) মাত্র ১৫হাজার টাকার বেতনের চাকরিজীবী হয়ে কিভাবে শত শত কোটি টাকার মালিক হলেন তা নিয়ে রয়েছে জনমনে প্রশ্ন। এসব দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনা না গেলে দেশ ও জাতি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সরকার হারাবে কোটি টাকার রাজস্ব। এই লিটনের কর্মকাণ্ডকে ঘিরে অনুসন্ধানে নেমেছে আমাদের অনুসন্ধানি টিম তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে আমরা আবার হাজির হব আগামী পর্বে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর অঞ্চলের এক কর্মচারী জানান, তিনি লিটনের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি