নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, 11:40 PM
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ভাবনা: অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অস্বস্তি, রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাম্প্রতিক মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর পদত্যাগের পরিকল্পনার বিষয়টি তাঁকে ঘিরে সংঘাত—বিশেষত অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি—আরও স্পষ্ট করেছে।
রাষ্ট্রপতির দাবি—প্রতিষ্ঠানগতভাবে তাঁর অবস্থানকে দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছে। সাত মাস কোনো সাক্ষাৎ হয়নি ড. ইউনূসের সঙ্গে; প্রেস উইং সরিয়ে নেওয়া, এমনকি বিদেশি মিশনগুলো থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলা—এসবই তাঁর মতে “অপমানজনক আচরণ।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযোগ অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরকার টানাপোড়েনকে সামনে এনেছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনার ভারত পালিয়ে যাওয়ার পর রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হলে রাষ্ট্রপতির ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি তখন একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃত্ব ছিলেন।
রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে উঠে এসেছে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়ও। সেনাবাহিনী গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে ওয়াকার-উজ-জামানের মন্তব্য রাজনৈতিক পরিসরে ইতিবাচক বার্তা দিলেও ভবিষ্যৎ ক্ষমতার বিন্যাস–নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচন—এসব নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।
জরিপ বলছে, বিএনপি–জামায়াত জোট সামনের নির্বাচনে এগিয়ে থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ–অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দূরত্ব—এসব বিষয় রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।