ঢাকা ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী ​কমব্যাট স্পোর্টসে নতুন ইতিহাস: 'জেডএফসি ২'-এ দেশি-বিদেশি ফাইটারদের লড়াই বিশ্বমানের জুলকান ইনডোর এরিনা: দেশীয় ফাইটারদের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম পর্যটনপণ্য ও সেবা নিয়ে আইসিসিবিতে মেলা

শিক্ষিত বেকারত্ব কমাতে নতুন পরিকল্পনা, বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কারে জোর প্রধানমন্ত্রীর

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ মে, ২০২৬,  12:02 PM

news image

উচ্চশিক্ষাকে বিশ্বমানের র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নীত করা এবং শিক্ষিত বেকারত্ব কমাতে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত “বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন ও গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে শুধু সরকারি বরাদ্দ নয়, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের (অ্যালামনাই) সম্পৃক্ততাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা হলো তার মেরুদণ্ড।”

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে অর্জিত অভিজ্ঞতা শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি সতর্ক করে বলেন, শুধু বইনির্ভর শিক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে।

উচ্চশিক্ষিত বেকারত্ব প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জনের অভাবই এর প্রধান কারণ। তাই প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো কারিকুলাম সময়োপযোগীভাবে পুনর্গঠন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক করতে অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, ইন্টার্নশিপ এবং শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা (ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লিংকেজ) জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে। বিভাগীয় শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক ধারণা বাস্তবায়নের জন্য সিড ফান্ডিং ও ইনোভেশন গ্র্যান্ট দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে ক্যাম্পাস থেকেই নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনোভেশন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এবং সায়েন্স পার্ক গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি বিজ্ঞান মেলা ও ইনোভেশন ফেয়ার আয়োজন এবং স্কুল পর্যায় থেকে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স ও ন্যানো প্রযুক্তি একদিকে প্রচলিত চাকরির বাজারে চাপ সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানও তৈরি করছে।

তিনি মেধা পাচার রোধ করে দেশে থেকেই মেধার বিকাশ ঘটানোর ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে একটি জ্ঞানভিত্তিক, গবেষণানির্ভর ও সৃজনশীল সমাজ গঠনের আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি