ঢাকা ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের হাত ধরে উন্মোচিত আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ: বাসাইল সেতু কাণ্ডে এলজিইডি কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা স্থানীয় সরকারের ৬৫৪৪ প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ, লক্ষ্য ৩০০ মেগাওয়াট অসহায় মানুষের ভরসাস্থল গাজীপুরের ডিসি: মানবিক বাংলাদেশ গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এস আলমের সময়ে ইসলামী ব্যাংকে ‘জরুরি’ ধারা ব্যবহার করে ব্যাপক নিয়োগ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা আমদানি: জালিয়াতির নথি ও অদক্ষদের কাজ দেওয়ার অপচেষ্টা রাজউকের নকশা অনুমোদনে ওয়ানস্টপ, প্রকল্পে জবাবদিহি নিশ্চিতের উদ্যোগ প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে মঞ্চে ফিরছে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান ভূরাজনীতির পালাবদলে বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের পরীক্ষা

শ্যামলীতে ফ্যাসিস্ট দোসর হাসান মিয়ার দূর্নীতি ও প্রতারণার অভিযোগ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫,  7:30 PM

news image

ঢাকার গডফাদার হাসান মিয়া, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের দাপটে দুর্নীতি লুটপাটের মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। কে এই হাসান? তথ্যসূত্রে জানা যায় ; গত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হওয়া GK builder's এর সামান্য কর্মচারী ছিলো এই হাসান।শেরেবাংলা নগরের অধিকাংশ সরকারি ভবন নির্মাণের ঠিকাদারি পেয়েছিলেন এই GK builder's । আর  সেখানেই লুটপাটের মহা সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন এই লুটেরা হাসান ।

তথ্য সূত্রে আরো জানা যায়: মোহাম্মদপুরের ৭রাস্তা ও বসিলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে হত্যাযোগ্য, দমন প্রিরণের মাস্টারমাইন্ডদের সাথে আতাত ছিল এই হাসানের, তৎকালীন ৩৩ নং কমিশনার আসিফ সহ তার সাঙ্গ পাঙ্গোদেরকে বসিলা গার্ডেন সিটির ৯/৩/ই ভবনে হাসান ও তার সহযোগী পারভেজ গোপন আস্তানা বানিয়ে সেলটার দিয়েছেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তৎকালীন আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়েই ওই পুরো ভবনটি নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তারা। তার ভয়ে ভবনের অন্য ফ্ল্যাট মালিকরা কোন প্রতিবাদ করতে পারেনা। এমনকি মাদক চোরাচালানির আখড়া হিসেবে এই ভবনটি ব্যবহার করতে সাহায্য করে হাসান ও তার দোসররা। কয়েক মাস আগে ডিবি  উক্ত ভবনকে কয়েক ঘন্টা অবরুদ্ধ রেখে মাদক কারবারিদের আটক করতে সক্ষম হয়। তখনও এই দুর্ধর্ষ হাসান , পারভেজ ও সাত্তার  ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। 

জানা যায় যে, এই ভবনটির যারা মূল উদ্যোক্তা ছিল তাদেরকেও বিভিন্ন অপপ্রচার হুমকি ধামকি মানহানি করে কোন ঠাসা করে রেখেছে। ভুক্তভোগীরা জানান;এই  হাসান ক্ষমতার দাপটে লটারি ছাড়াই উক্ত ভবনের দশ লক্ষ টাকা বেশি মূল্যের ফ্ল্যাট দখল করে নেন । শহীদুজ্জামান নামের ফ্ল্যাট মালিক বলেন , আমি আমার প্রাপ্য দশ লক্ষ টাকা চাই যে কোন মূল্যে।

তিনি প্রভাব খাটিয়ে কোন মালিকদের ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রি  করে দিচ্ছে না । এমনকি এই দুর্নীতি গ্রস্থ প্রতারক হাসান ক্ষমতার দাপটে, ঐ ভবনটির কয়েক লক্ষ টাকা পারিশ্রমিক না দেয়েই ফ্ল্যাট দখল করে নিয়েছেন। যেখানেই  এই দখলদার হাসানের নজর পড়েছে সেখানেই অনিয়ম দখলদারিত্ব চলেছে, এ যেন তাকে থামানোর কেউ নেই । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এই রিপোর্টারকে জানান , এক সময়ের খ্যার বিক্রেতা হাসান, এই সামান্য সময়ের মধ্যে কিভাবে শ্যামলী -৩ নং রোডের,২৭/২/সি, সোনালী স্বপ্ন নামের আলিশান ভবনে কোটি টাকার বেশি মূল্যের ফ্ল্যাট যেখানে সে বসবাস করে। বসিলাতে  ফ্ল্যাট, বলিয়াপুর জমজম হাউজিং এ ২ টি কয়েক কোটি টাকা মূল্যের প্লট । ব্যাক্তিগত প্রিমিও গাড়ি, নিজের বাড়ি , শশুর বাড়ি সহ নামে বেনামে অঢেল সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছে তা তাদের বোধগম্য নয়।

অপর একজন বলেন,এমন কোন অপকর্ম নেই যা এই ভন্ড হাসানের পক্ষে সম্ভব নয়। বর্তমান এই ইন্টারিম সরকারের ন্যায় প্রতিষ্ঠার সময়ে, এই সকল প্রতারক ও ভন্ড হাসানরা কিভাবে পার পেয়ে যাচ্ছে জনমনে এখন সেই প্রশ্ন উঠছে। শ্যামলী এলাকায় খবর নিয়ে জানা গিয়েছে, তিনি যে বাড়িতে বসবাস করেন সেখানেও রয়েছে তার ব্যাপক ক্ষমতার মহড়া। স্থানীয় একজন বলেন, এই হাসান একজন মুনাফেক, মুখে মিষ্টি কথা বলে বলে মানুষের টাকা মেরে দেন।

ভুক্তভোগীরা খুব দ্রুত দুদক ও প্রশাসনের আইনি পদক্ষেপ কামনা করছে।  এই বিষয়ে রিপোর্টার তার সাথে দেখা করতে চাইলে সে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং মুঠোফোনে সাংবাদিক পরিচয় পেলে, ফোন বন্ধ করে দেয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : তানভীর সানি